
নিজস্ব প্রতিনিধি:মোহাম্মদ হোসেন হ্যাপী।
জুলাই আন্দোলনে ভূমিকা,ধর্ষণ,অপহরণ ও নির্যাতনের অভিযোগ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন,দ্রুত তদন্ত ও আইনি ব্যবস্থার দাবি।জুলাই আন্দোলনে ছাত্র-জনতার ওপর দমন-পীড়ন এবং একাধিক গুরুতর অভিযোগে আলোচিত পুলিশ কর্মকর্তা এসপি আলমগীর হোসেনকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন সময়ে তাঁর বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধের তদন্তে চাকরি থেকে বরখাস্তের সুপারিশ করা হলেও তিনি এখনও পুলিশ বাহিনীতে দায়িত্ব পালন করছেন।
অভিযোগ অনুযায়ী,২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের সময় তিনি ঢাকায় দায়িত্ব পালনকালে আন্দোলন দমনে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। এছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে অতীতে অপহরণ, নির্যাতন, ধর্ষণ এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগও বিভিন্ন সময়ে আলোচনায় এসেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ সদর দপ্তর,স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পাবলিক সার্ভিস কমিশন (পিএসসি) পর্যায়ে তদন্ত হয়েছিল এবং তদন্তে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।
সমালোচকদের প্রশ্ন,যদি তদন্তে গুরুতর অনিয়ম ও অপরাধের প্রমাণ পাওয়া হয়ে থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কীভাবে এখনও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে বহাল রয়েছেন? এ বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে।
এদিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত,প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা এবং দায়ীদের জবাবদিহির দাবি জানিয়েছেন।
তবে এই অভিযোগগুলোর বিষয়ে এসপি আলমগীর হোসেন বা বাংলাদেশ পুলিশের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে।
All rights reserved © 2019
Leave a Reply