1. online@crimetv24.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
  2. admin@crimetv24.com : admin :
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৭:১৬ পূর্বাহ্ন

বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে মাদক সেবনের অভিযোগ,ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তোলপাড়,তদন্তের দাবি।

নিজস্ব প্রতিনিধি :
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬
  • ৫০ বার পঠিত

স্টাফ রিপোর্টার | গাইবান্ধা।
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার মুন্সিরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে মাদক সেবনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওকে ঘিরে বিদ্যালয়ের অফিস সহায়ক আলতামাস সোহাগের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উঠেছে। ভিডিওটি প্রকাশের পর শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সচেতন মহলের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে এক ব্যক্তিকে মাদকজাতীয় কিছু সেবন করতে দেখা যায়। ভিডিওটি প্রকাশের পর স্থানীয়দের একাংশ দাবি করেন,ভিডিওতে থাকা ব্যক্তি মুন্সিরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস সহায়ক আলতামাস সোহাগ। তিনি স্থানীয় মাসুদ করীম (আজাহার খলিফা)-এর ছেলে বলে জানা গেছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ,অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে মাদকসংশ্লিষ্ট নানা অভিযোগ প্রচলিত রয়েছে। ভাইরাল ভিডিওটি সামনে আসার পর মুন্সিরহাটসহ সাঘাটা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে মাদক সেবনের অভিযোগে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অফিস সহায়ক আলতামাস সোহাগ প্রথমে দাবি করেন,ভাইরাল ভিডিওতে থাকা ব্যক্তি তিনি নন। তবে পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত তার একটি বক্তব্যে তিনি জানান, ২০১৭-১৮ সালে তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন এবং পরবর্তীতে একটি মাদক নিরাময় কেন্দ্রে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠেন। তার দাবি, ভাইরাল ভিডিওটি সেই সময়কার এবং সাম্প্রতিক নয়।
এ বিষয়ে মুন্সিরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম প্রধান বলেন,বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের চাবি অফিস সহায়কের কাছেই থাকে। তবে তিনি মাদকসেবী কি না, সে বিষয়ে আমার কাছে কোনো তথ্য নেই।
তবে ভিডিওতে মাদক সেবনের মতো দৃশ্য দেখা গেলেও সেখানে ব্যবহৃত পদার্থটি কী ছিল, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। ফলে অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের ওপরই গুরুত্বারোপ করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর

All rights reserved © 2019

Design By Raytahost