
নিজস্ব প্রতিবেদক:
ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির রাজনীতিতে সাংগঠনিক দক্ষতা, রাজনৈতিক ত্যাগ ও কর্মীবান্ধব নেতৃত্বের কারণে আলোচনায় রয়েছেন মোঃ মোস্তফা জামান। দলীয় নেতাকর্মীদের একটি অংশের প্রত্যাশা,আগামীতে সংগঠনে তাঁকে আরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হবে।
২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আমিনুল হককে আহ্বায়ক এবং মোস্তফা জামানকে সদস্য সচিব করে ৫১ সদস্যবিশিষ্ট ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়।
দলীয় সূত্রে জানা যায়,দায়িত্ব পালনের সময় ঢাকা মহানগর উত্তরের বিভিন্ন থানা ও ওয়ার্ডে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার এবং নেতাকর্মীদের সক্রিয় করার উদ্যোগে যুক্ত ছিলেন মোস্তফা জামান। রাজনৈতিক কর্মসূচি ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে তাঁর ভূমিকা নিয়ে দলীয় অঙ্গনে আলোচনা রয়েছে।
দলীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী,মোস্তফা জামান কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখা,অসুস্থ ও বিপদগ্রস্ত নেতাকর্মীদের খোঁজখবর নেওয়া এবং প্রয়োজনে সহযোগিতার চেষ্টা করার মাধ্যমে কর্মীবান্ধব নেতা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। তাঁর নেতৃত্বের অন্যতম দিক হিসেবে তাঁরা সাংগঠনিক তৎপরতা ও কর্মীদের সঙ্গে সুসম্পর্কের বিষয়টি তুলে ধরেন।
রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা এবং সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কাজে সহযোগিতার বিষয়টিও তাঁর অনুসারীরা উল্লেখ করেন। তাঁদের মতে, তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখা এবং সংগঠনের প্রয়োজনে সক্রিয় থাকাই তাঁর রাজনৈতিক পথচলার গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য।
গত ৩০ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির ৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত করা হয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এরপর নতুন নেতৃত্ব নিয়ে দলীয় অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে মোস্তফা জামানকে ভবিষ্যতে আরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে দেখতে চান বলে তাঁর অনুসারীদের অনেকে প্রত্যাশা প্রকাশ করেছেন।
তাঁদের আশা,সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা ও কর্মীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক কাজে লাগিয়ে তিনি ভবিষ্যতে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপিকে আরও সুসংগঠিত করতে ভূমিকা রাখতে পারবেন।
তবে নতুন কমিটিতে তাঁর সম্ভাব্য পদ বা দায়িত্ব সম্পর্কে দলীয়ভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত বিষয়টি প্রত্যাশা হিসেবেই বিবেচিত হবে।
All rights reserved © 2019
Leave a Reply