1. online@crimetv24.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
  2. admin@crimetv24.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন

বন্দরে প্রবাসী রনির মাদক মামলায় তদন্তের আশ্বাস-ওসি জামাল উদ্দিনের।

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৮৪ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক নারায়ণগঞ্জ
নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানায় দায়ের করা একটি মাদক মামলায় সৌদি আরবপ্রবাসী রনির নাম অন্তর্ভুক্তি নিয়ে তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিনের সঙ্গে কথা হলে তিনি মামলার প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন এবং তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা যাচাইয়ের আশ্বাস দেন।
রনি বন্দরের তিনগাঁও এলাকার পঙ্গু লোকমান হোসেনের ছেলে। পরিবারের দাবি, রনি দীর্ঘদিন সৌদি আরবে কর্মরত ছিলেন। অসুস্থ হয়ে চিকিৎসার জন্য গত ৫ অক্টোবর দেশে ফেরার পর অস্ত্রোপচার শেষে বর্তমানে বাড়িতে অবস্থান করছেন। এ অবস্থায় একটি মাদক মামলায় তাঁর নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে পরিবার।

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনাকালে ওসি জামাল উদ্দিন তাঁর হোয়াটসঅ্যাপে থাকা কিছু রেকর্ড ও তথ্য উপস্থাপন করেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, লোকমান হোসেন বিভিন্ন সময়ে তাঁকে মাদকসংক্রান্ত তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করতেন। তবে তাঁর দাবি, এসব তথ্যের অনেক ক্ষেত্রে পুলিশ ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়েও কাউকে পায়নি।
ওসি জামাল উদ্দিন জানান, মাদকবিরোধী কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে পাওয়া তথ্য যাচাই করে পুলিশকে অভিযান চালাতে হয়। কোনো মামলায় কারও নাম অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে প্রশ্ন উঠলে সেটিও তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।

রনির নাম মাদক মামলায় অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে ওসি জামাল উদ্দিন বলেন, মামলাটি আগেই দায়ের করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে। তদন্তে রনির সম্পৃক্ততার প্রমাণ না পাওয়া গেলে তাঁর নাম বাদ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে বলে তিনি জানান।
এদিকে,রনির পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোঃ হাবিবুর রহমানের নজরে আনা হয়েছে বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদীকে দেওয়া হয়েছে।

একটি মাদক মামলায় কারও নাম অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে অভিযোগ ও পাল্টা বক্তব্য থাকলে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন জরুরি। এ ক্ষেত্রে মামলার নথি, সংশ্লিষ্ট তথ্য-প্রমাণ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য যাচাইয়ের মাধ্যমে রনির সম্পৃক্ততা ও পরিবারের অভিযোগের বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যেতে পারে।
ওসি জামাল উদ্দিনের বক্তব্য অনুযায়ী, তদন্তের মাধ্যমেই বিষয়টি পরিষ্কার হবে। ফলে তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কোনো পক্ষকে দায়ী না করে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়াই হবে দায়িত্বশীল পদক্ষেপ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর

All rights reserved © 2019

Design By Raytahost