
সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি:
শরতের নীল আকাশ,সাদা মেঘ আর দিগন্তজোড়া কাশফুলের শুভ্রতায় অপরূপ হয়ে উঠেছে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের ভাটিবন্দর এলাকা। মেঘনা নদীর তীরে কাশফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন প্রকৃতিপ্রেমী ও দর্শনার্থীরা।
ভাটিবন্দর ও কান্দারগাঁওয়ের মধ্যবর্তী বিস্তীর্ণ চরজুড়ে ফুটে থাকা সাদা কাশফুল,সবুজ প্রকৃতি আর মেঘনার খোলা জলরাশি মিলিয়ে তৈরি হয়েছে মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক পরিবেশ। বিশেষ করে বিকেলের দিকে দর্শনার্থীদের উপস্থিতি বাড়ছে। অনেকে পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের নিয়ে ঘুরতে এসে ছবি ও ভিডিও ধারণ করছেন।
ঢাকা থেকে আসা এক দর্শনার্থী বলেন,শহরের ব্যস্ত জীবনের বাইরে এমন নির্মল পরিবেশে সময় কাটাতে ভালো লাগছে। নদীর পাড়, খোলা আকাশ ও কাশফুলের সৌন্দর্য মনকে প্রশান্ত করে।
নারায়ণগঞ্জের আরেক দর্শনার্থী বলেন,ছবি ও ভিডিওতে কাশফুল দেখেছি,তবে সরাসরি এসে এর সৌন্দর্য উপভোগের অনুভূতি আলাদা। চারপাশের পরিবেশ সত্যিই আকর্ষণীয়।
স্থানীয়রা জানান, প্রতিবছর শরৎ মৌসুমে এ এলাকায় কাশফুল ফুটলে দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ বেড়াতে আসেন। সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা গেলে ভাটিবন্দর-কান্দারগাঁও এলাকার এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ভবিষ্যতে একটি আকর্ষণীয় পর্যটন স্পট হিসেবে পরিচিতি পেতে পারে।
তবে দর্শনার্থীর সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিবেশ দূষণের আশঙ্কাও রয়েছে। কাশবনে প্লাস্টিক,পলিথিন ও খাবারের প্যাকেট না ফেলা এবং অপ্রয়োজনে কাশফুল ও গাছপালা নষ্ট না করার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
প্রকৃতিপ্রেমীদের মতে,শরতের কাশফুল প্রকৃতির অন্যতম আকর্ষণীয় সৌন্দর্য। তাই মেঘনা নদীর পাড়ের ভাটিবন্দরের এই নৈসর্গিক পরিবেশ উপভোগের পাশাপাশি এর সৌন্দর্য রক্ষায় দর্শনার্থী ও স্থানীয়দের সচেতন থাকা জরুরি।
All rights reserved © 2019
Leave a Reply