
গত ৩ জুন ২০২৫,নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৪তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
জাঙ্গাল-পূর্ব কেওঢালা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন বাস স্টেশনে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বন্দর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাসীন প্রধান।
প্রধান অতিথি হয়ে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের তিনবারের সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম।বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কাউসার আশা
অন্যান্য অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,আওলাদ হোসেন, আমির হামজা, মোস্তফা মেম্বার, আজহারুল ইসলাম,গোলবক্স ভূঁইয়া রাসেল, আব্দুল কাইয়ুম,মনির হোসেন ওরফে বালু মনির
প্রধান অতিথি আবুল কালাম বলেন, ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে দেশি-বিদেশি চক্রান্তে সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী সদস্য শহীদ জিয়াউর রহমানকে হত্যা করে। তিনি স্বাধীনতার ঘোষক, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। তিনি বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক এবং সার্ক প্রতিষ্ঠার স্বপ্নদ্রষ্টা ছিলেন।
আবুল কাউসার আশা বলেন,শহীদ জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী পালন করতে গিয়ে যেন চাঁদাবাজি না হয় এবং মানুষকে কষ্ট না দেওয়া হয়। তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, জনসাধারণের ভোগান্তি সৃষ্টি করে কোনো কর্মসূচি পালন করা উচিত নয়।
বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনসমূহের উদ্যোগে প্রায় ৫০টি স্থানে মিলাদ,দোয়া মাহফিল ও তবারক বিতরণ করা হয়।
Leave a Reply