1. 24@crimetv24.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
  2. admin@crimetv24.com : admin :
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:০০ অপরাহ্ন

আওয়ামী লীগকে হুঁশিয়ারি দিলেন কাউছার আশা-“জাতীয়তাবাদী আদর্শে ফিরে ঐক্যবদ্ধ মুছাপুরের পথচলা শুরু”।

তাসলিমা পপি। নিজস্ব প্রতিনিধি :
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৫
  • ১৪৪ বার পঠিত

নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির অন্তর্ভুক্ত মুছাপুর ইউনিয়ন বিএনপি ২৫ জুলাই ২০২৫,শুক্রবার,মুছাপুর ইউনিয়ন পরিষদ মাঠ প্রাঙ্গণে”নতুন সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন কর্মসূচী ২০২৫ আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব আবুল কাউছার আশা।

মুছাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন কর্মসূচী অনুষ্ঠিত,প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আলহাজ্ব আবুল কাউছার আশা।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ আওলাদ হোসেন,আমিনুর ইসলাম মিঠু(উভয়েই আহবায়ক সদস্য, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি),হাজী মোঃ নূর হোসেন,মোঃ ইয়া নবী মেম্বার,মোঃ মোসলেহ উদ্দিন, মোঃ নুরল আলীম,মোঃ মনির হোসেন,মোঃ জাহাঙ্গীর এবং মোঃ বিলাল মেম্বার।

সভাপতিত্ব করেন ডাঃ আব্দুল হক,সাবেক সভাপতি,মুছাপুর ইউনিয়ন বিএনপি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আবুল কাউছার আশা বলেন, জাতীয়তাবাদী দলের শক্তি হচ্ছে জনগণ।কোনো স্বৈরাচারী শক্তি আমাদের দমিয়ে রাখতে পারবে না। নতুন সদস্য সংগ্রহে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে,যেন ফ্যাসিবাদী শক্তি সদস্য সংগ্রহের কাগজে হস্তক্ষেপ করতে না পারে।”

তিনি আরও বলেন,আমার পিতা একজন সৎ রাজনীতিবিদ ছিলেন। তার মতো অনেক প্রবীণ নেতার আশীর্বাদে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। মুছাপুর ইউনিয়ন এবার প্রমাণ করেছে জনগণের শক্তিই বড় শক্তি।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বন্দর উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ।

আলহাজ্ব আবুল কাউছার আশা তাঁর বক্তৃতায় বলেন,বিএনপি কখনো ক্ষমতার জন্য নয়,বরং জনগণের জন্য কাজ করে।আমাদের লড়াই জনগণের অধিকার এবং জাতীয়তাবাদী আদর্শ রক্ষা করার জন্য।বিএনপির সদস্যদের কল্যাণে আমরা সবসময় কাজ করে যাবো।
তিনি আরো বলেন,দিনের ভোট তো দিনে হয় নাই হয়েছে রাতে রাতের ভোট রাতেই হয়ে গেছে যারা এলাকায় রাতে ভোট দেওয়ার নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি ছিলেন এই ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান হঠাৎ করে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচনে এমপি সাহেব তাকে রাজাকারের ছেলে বলায় তিনি জামাতে ইসলামের মত আচরণ করা শুরু করেন করেন ইলেকশন করার জন্য দৌড়াদৌড়ি শুরু করে দিয়েছে আপনারা কেউ ভুলে যাবেন না যারা তিন তিনবার আপনাদের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছে এই প্রক্রিয়ার সাথে যারা জড়িত হয়ে পুরস্কৃত হয়েছে চেয়ারম্যান হয়েছে। রাত রাতারাতি কাউকে রাজাকার বলায় কেউ কিন্তু জামায়াত হয়ে যায় না। ৫ তারিখের পরে মুছাপুর ইউনিয়ন কেন জেলায়ও এরকম কোন ঘটনা ঘটে নাই সারা বন্দরে এরকম ঘটনা ঘটে নাই মুছাপুর ইউনিয়নে ৩২টি বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছে কই আমরা বিএনপির কেউ তো এগুলো করি নাই আমাদের সমোন্নদলগুলো যারা আছে তারা এগুলো করে নাই। আগে যে তিন তিনবার মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছেন সেজন্য শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে মানুষের কাছে মাফ চাইতে হবে মানুষ যদি মাফ করে তবে নির্বাচনের কথা বলবেন। তাই বলবো ধীরে চলেন।আপনাকে এত সাহস কে দিল মুসাপুর কে জিম্মি করে রেখেছেন?আজকে দেখেন,প্রোগ্রামে কত লোক এসেছে।আমি বলব মানুষকে জিম্মি করে চলার দিন শেষ হয়ে গেছে এগুলো এখন বন্ধ করেন। প্রোগ্রামে আসা নিয়ে মানুষকে বিভিন্নভাবে ফোনে নিষেধ করা হয়েছে। শুধু আপনি না এখানে আওয়ামী লীগের অনেক দোসর ও আপনাদের আত্মীয়-স্বজনের আছেন। যারা ফোনে ফোনে নিষেধ করে দিয়েছে প্রোগ্রামে যেন না আসে। একটা কথা মনে রাখতে হবে,আমরা জাতীয়তাবাদী আদর্শ বিশ্বাসী।মবের ভয় দেখিয়ে লাভ নেই।জেল জুলুম খাটা মানুষ আমরা।পুলিশ নির্যাতন অত্যাচার সহ্য করা মানুষ। রক্তাক্ত এই শরীরকে রক্তের ভয় দেখিয়ে লাভ নেই।

আমি বলব আপনারা ঐক্যবদ্ধ থাকেন ৯১সালের আগের মানুষ যেমন ঐক্যবদ্ধ ছিল আজকের পর থেকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মুসাপুরের পদ যাত্রা শুরু হবে।দেখেন একটা দল আছে নির্বাচনের কথা বললে মনে হয়,খুব মহা পাপ করে ফেলেছি।আমরা তো ১৭টা বছর ভোটাধিকার চেয়েছি বিগত ফেসিস্ট সরকার তো সেই প্রক্রিয়া বন্ধই করে দিয়েছে।একজন বড় নেতা ও একজন দিনমজুর এদের সাথে সম্পর্ক শুধুমাত্র ভোটের মাধ্যমে কারণ দিনমজুরের ভোট ছাড়া এমপি মন্ত্রী হওয়া সম্ভব না আমার ভোট আমি দিব আমরা তো সেই অধিকার ফেরত চেয়েছি।আমাদের দেশের মানুষের ভোটের সেই মূল্যবোধ ছিলনা।আমার নেতা নির্বাচিত হবে এর মূল কারিগর হবে জনগণ।যদি ক্ষমতার লোভ থাকতো,আমরা ওয়ান ইলেভেনের পর ক্ষমতায় যেতে পারতাম। কিন্তু আমাদের নেতা খালেদা জিয়ার লাথি মেরেছেন। এই ক্ষমতা নেন নাই।দেশের কথা ভেবেছেন। দুই সন্তানদের কথা ভাবেন নাই।সন্তানের পরোয়া করেন নাই।ক্ষমতার লোভ করেন নাই। দলের নেতা কর্মীদের কথা বিবেচনা করেন নাই। দেশের কথা ভেবেছেন। আর এই ভোটের কথা বললেই বলেন,আমরা নাকি ক্ষমতার জন্য বলি।বেগম খালেদা জিয়া বিশ্বাস করেন জনগণই হচ্ছে ক্ষমতার উৎস।এবং বিএনপি সরকারের ক্ষমতায় যেতে হলে জনগণের প্রত্যেককে ভোটের মাধ্যমে যেতে হবে।আমরা ভোট চাইছি ভোট চাইবো।

নির্বাচন করব জনগণের সুস্থ ভোটের মাধ্যমেই ক্ষমতায় যাব।ইনশাল্লাহ আগামীর রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমানের মাধ্যমেই আগামী নির্বাচন করব।সংগ্রামী ভাইয়েরা আপনারা জানেন,বিএনপির বিরুদ্ধে মিডিয়া ট্রায়ালআপ হয়।তুচ্ছ ঘটনাকে অনেক বড় করা হয়।ছোট ঘটনাকে অনেক বড় করে দেখানো হয়।কয়েকদিন আগে মাইলস্টোন স্কুলে যে ঘটনা ঘটেছে,তা অত্যন্ত হৃদয়বিদারক।একজন বাবা হিসেবে আমি এইদৃশ্য কোনমতে সহ্য করতে পারেনি।যে পিতাগুলো সন্তানহারা হয়েছে আল্লাহ যেন তাদের সহ্য করার তৌফিক দেন,যেখানে তাদের চোখ দিয়ে অশ্রু ঝরছে যেখানে সারা জাতি তাদের জন্য হাত তুলেছে।সেখানে তারা কি করছে?আপা আসবে আপা শুধু চলেই আসে। আপাতো আপনাদের রেখে চলে গেছেন।যে চলে যাবার শেষ সামান্য একটুতে চলে যায়। আপা তো আপনাদের কথা চিন্তা করে নাই পালিয়ে গেছে।আমাদের গণতন্ত্রের মা আমাদের জন্য এদেশের জন্য রয়ে গেছেন এখনো আছেন ইনশাল্লাহ ভবিষ্যতেও থাকবেন যে থাকার সে সব পরিবেশেই থাকে।আর যে পালায় সে সামান্য কিছুতেই পালায়।
সবশেষে,তিনি জুলাই অগাস্ট এ ২০০টি ছোড়া বুলেট শরীরে নিয়ে এখন পর্যন্ত বেঁচে থাকা যুদ্দাহতকে ক্রেস্ট দিয়ে বিশেষ সম্মাননায় প্রধান করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল সত্ব www.crimetv24.com কর্তৃক প্রকাশিত।