বিশেষ প্রতিবেদন:
অন্যায়-চাঁদাবাজির রাজনীতির অবসান চান ফতুল্লাবাসী।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে অন্যায়, চাঁদাবাজি ও ভূমিদস্যুতার অভিযোগে জনগণ আজ চরমভাবে হতাশ। বিশেষ করে এমপি হওয়ার পর ক্ষমতাকে ব্যবসায় রূপ দেওয়া, জাল ভোট ও সন্ত্রাসের রাজনীতি সাধারণ মানুষের আস্থাকে ধ্বংস করেছে। এই প্রেক্ষাপটে নারায়ণগঞ্জ–৪ (ফতুল্লা) আসনে বিএনপির ধানের শীষের মনোনয়ন নিয়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন শাহ আলম।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে,শাহ আলম এমন একজন রাজনীতিবিদ, যিনি নিজে কখনো অন্যায় করেননি এবং দলেও কাউকে অন্যায় করতে দেন না। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও ভূমিদস্যুতার বিরুদ্ধে তিনি আপসহীন। তার নেতৃত্বে দল প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার কোনো সুযোগ নেই বলেই মনে করেন রাজনৈতিক সচেতন মহল।
বিএনপির একজন এমপি শুধু জনপ্রতিনিধিই নন, তিনি দলের আদর্শ ও নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবি—এমন মন্তব্য করে নেতাকর্মীরা বলেন,যে ব্যক্তি এমপি হওয়ার পর অবৈধ কাজে জড়িয়ে পড়ে, তার দায় শেষ পর্যন্ত দলের ওপরই পড়ে। তাই এমন কাউকে মনোনয়ন দেওয়া উচিত নয়, যিনি ক্ষমতাকে অপব্যবহার করবেন।
তারা আরও বলেন, অতীতে আওয়ামী লীগের অনেক এমপি জাল ভোট ও রাতের আঁধারে ক্ষমতায় গিয়ে জনগণের কথা ভুলে গেছেন। এমপি পদকে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করে তারা জনগণের উপর নির্যাতন চালিয়েছেন। ফলে জনগণ আজ সেই রাজনীতি প্রত্যাখ্যান করেছে।
শাহ আলম কেন ব্যতিক্রম? এই প্রশ্নের জবাবে ইঞ্জিনিয়ার সায়েদ রেজা janan:-
নেতাকর্মীদের দাবি অনুযায়ী,শাহ আলম রাজনীতি করতে এসেছেন নিতে নয়, দিতে।তিনি একজন ভদ্র, সৎ ও মাঠপর্যায়ে জনপ্রিয় নেতা। দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষায় তিনি কঠোর এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন। স্থানীয়ভাবে তিনি অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির অধিকারী।
তাদের ভাষায়,শাহ আলম যদি এমপি হন, তাহলে এলাকায় আর সন্ত্রাসী রাজনীতির পুনরাবৃত্তি হবে না।
বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায়,
বিএনপির তিনবারের প্রধানমন্ত্রী,দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘদিনের অসুস্থতায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে নেতাকর্মীরা তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন। তারা বলেন, আল্লাহ যেন তাকে সুস্থ করে আবার জাতির মাঝে ফিরিয়ে দেন।
রাজপথের সংগ্রাম থেকে ভবিষ্যতের প্রত্যাশা।
এই বিষয়ে বক্তব্য দেন ইঞ্জি.সায়েদ রেজা খান,
কুতুবপুর ইউনিয়ন,৬নং ওয়ার্ড।সাবেক সহ-সভাপতি,নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদল, ও নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদল নেতা।
তিনি বলেন,আমরা দীর্ঘদিন রাজপথে থেকে আন্দোলন করেছি,মামলা-হামলা,জেল-জুলুম সহ্য করেছি। স্বৈরাচার পতন হলেও সংগ্রাম শেষ হয়নি। এখনও দেশে ষড়যন্ত্র চলছে, রাজনীতিতে হত্যাকাণ্ড ভয়ংকর রূপ নিয়েছে।”
তিনি সাম্প্রতিক সহিংসতার ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করে বলেন,রাস্তায় গুলি করে নেতাকর্মী হত্যা এখন ভয়ংকর ট্র্যাডিশনে পরিণত হয়েছে—এটা জাতির জন্য অশনিসংকেত।”
শাহ আলমের মনোনয়ন মানেই গণজাগরণ।
নেতাকর্মীদের দৃঢ় বিশ্বাস,শাহ আলম যদি ধানের শীষের মনোনয়ন পান,তাহলে সাধারণ জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করবে।
এতে লাভ হবে ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নয়—লাভ হবে নারায়ণগঞ্জবাসী ও দেশবাসীর।
তারা মনে করেন,সুবিচার,সুশাসন ও সৎ নেতৃত্বই দেশকে এগিয়ে নিতে পারে,আর শাহ আলম সেই নেতৃত্বের যোগ্য প্রতীক।